ই বাংলা ডট টেক, প্রযুক্তির হাতেখড়ি হোক বাংলাতেই।

হ্যাকিং / সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক বাংলা প্রযুক্তির ব্লগ

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সানসাইন স্টেট ফ্লোরিডার বিনোদন শহর হিসেবে পরিচিত অরল্যান্ডো বাংলাদেশিদের পদচারণায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। আনন্দের বন্যা বইছে এখানকার বাংলাদেশিদের ঘরে ঘরে।
নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে শত শত বাংলাদেশি এখন অরল্যান্ডোমুখী। তারা সাক্ষী হতে চান সেই ইতিহাসের, যা তাদের কাছে ছিল শুধুই স্বপ্নের মতো।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ মে) ঘড়ির কাঁটা ৪টা ১২ মিনিটে মহাকাশে ডানা মেলবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা) ইতিমধ্যে দিনক্ষণ চূড়ান্ত করেছে। এখন শুধু মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা। ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে ফ্লোরিডা পৌঁছেছেন ৩০ সদস্যের বাংলাদেশ দলের নেতা তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তার সঙ্গে রয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ ও ইমরান আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদসহ অন্যরা।

SpaceX এর চ্যানেল থেকে দেখুন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ লাইভ ই বাংলা ডট টেক এ।


বিজ্ঞাপনঃ আপনিও হতে পারেন একজন দক্ষ হ্যাকার এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ।
ওয়াই ফাই এর অভাবে স্লো ইন্টারনেট চালাতে হয় আমাদের অনেকের  ই। আবার নিজের ওয়াই ফাই এর ইন্টারনেট কানেকশন চলে গেলে বসে থাকতে হয়। তখন যদি অন্য কারো ওয়াইফাই হ্যাক করে চালানো যেতো তাহলে কতোই না ভালো হতো। 

এবার আপনি নিজেও হ্যাক করে নিতে পারবেন ওয়াই ফাই। চলুন, শিখে নেই কিছু সহজ উপায় যার মাধ্যমে আপনি ওয়াই ফাই হ্যাক করে নিতে পারবেন।

১। সব চাইতে সহজ এবং কার্যকরী উপায়ে মোবাইল থেকে ওয়াই ফাই হ্যাক করার পদ্ধতি হচ্ছে SWIFT WIFI এপস। চলুন, আলোচনা করি SWIFT WIFI এপস নিয়ে বিস্তারিত..




যা যা দরকার (উপকরণ)

সুবিধাঃ এই এপসটি চালানোর জন্য ফোন রুট করার প্রয়োজন হয় না।
# এপস রিভিউ ৪.২ [ ওয়াই ফাই হ্যাকিং এর জন্য সব চাইতে বিশ্বস্ত এপস ]

অসুবিধাঃ এর মাধ্যমে আপনি সব ওয়াই ফাই হ্যাক করে নিতে পারবেন না। শুধুমাত্র আপনার নেটওয়ার্কের মধ্যে যেই ওয়াই ফাই গুলো থাকবে আপনি শুধু সেগুলোই হ্যাক করতে পারবেন।


প্লে-ষ্টোর থেকে  অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন। লিংকঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=mobi.wifi.toolbox



এরপর এপসটি ওপেন করলে (Secured with WPA2 WPS available) লেখা ওয়াইফাই কোন ডিভাইসে ক্লিক করলে পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকলে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই কানেক্ট হয়ে যাবে। 
উল্লেখ্য, সিগনালে যেই যেই এপস গুলো দেওয়া থাকবে সব গুলোই আপনি চেষ্টা করে দেখবেন। ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপনঃ ডিজিটালের এই যুগে পুরনো বছরের মতো এখনো পিছিয়ে আছেন না তো? আয় করুন ইথিক্যাল হ্যাকিং এর মাধ্যমে। বর্তমান বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় থাকা সত্বেও অভাব রয়েছে এর বিশেষজ্ঞদের। তাই, সাইবার সিকিউরিটির উপর অনলাইনে সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রবেশ করুন এই সম্ভাবনাময়ী জগতে। হটলাইন- 01779224640, 01885841489

২য় পদ্ধতিঃ WIFIMAP এই এপসের মাধ্যমেও আপনি ওয়াই ফাই হ্যাক করে নিতে পারবেন। 

৩য় পদ্ধতিঃ কোন ওয়াইফাই এর মধ্যে কানেক্ট করা ডিভাইসের মধ্যে থেকে পাসওয়ার্ড চুরি করেও আপনি হ্যাক করে নিতে পারবেন ওয়াইফাই। 

এর জন্য প্রথমেই ডাউনলোড করে নিতে হবে  Es File Explorer এপসটি।
এবার ওপেন করুন Swipe left 

 Local - > Device - > System -> ETC Folder - > 

 Wifi - > wpa_supplicant.conf - > ES text viewer. -> এবার এখানেই ওয়াই ফাই এর সকল পাসওয়ার্ড গুলো পেয়ে যাবেন। 

আশা করি উক্ত উপায় গুলোর মাধ্যমে সকল ওয়াই ফাই হ্যাক করে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারবেন। তবে পর্যায়ক্রমে কালি লিনাক্সের কিছু কার্যকরী টুলস সহ আরো বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো পরবর্তী পোষ্টে। ই বাংলা ডট টেক এর সাথেই থাকুন। 

বিজ্ঞাপনঃ ডিজিটালের এই যুগে পুরনো বছরের মতো এখনো পিছিয়ে আছেন না তো? আয় করুন ইথিক্যাল হ্যাকিং এর মাধ্যমে। বর্তমান বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় থাকা সত্বেও অভাব রয়েছে এর বিশেষজ্ঞদের। তাই, সাইবার সিকিউরিটির উপর অনলাইনে সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রবেশ করুন এই সম্ভাবনাময়ী জগতে। হটলাইন- 01779224640, 01885841489
শুধু বাংলাদেশ নয়, সরকারী বেসরকারী ভাবে বাংলাদেশে নিয়োগ চলছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। অনলাইন মার্কেট প্লেসেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। অনেকেই সাইবার নিরাপত্তার উপর ফ্রিল্যান্সিং করে হয়ে উঠছে স্বাবলম্বী। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা ও অপরিহার্য।


আর সেই প্রেক্ষাপট থেকেই  ফ্রিল্যান্সিং / সাইবার সিকিউরিটি / ইথিক্যাল হ্যাকিং শিখতে আগ্রহীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশী সর্ব প্রথম সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি।

দুই মাসের কোর্স এবং দুই মাসের ইন্টার্নির সুবিধা সহ সাইবার সিকিউরিটি / ইথিক্যাল হ্যাকিং / ফ্রিল্যান্সিং শীর্ষক কোর্স চালু করেছে এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি। যেখানে রয়েছে তিনটি বিভাগে এবং ২১ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করা সুযোগ।

অনলাইন ভিত্তিক কোর্স হওয়ায় দেশ এবং দেশের বাইরে সহ যে কোন জায়গা থেকেই ক্লাসে অংশগ্রহণ করার সুবিধা। অংশগ্রহনকারীরা কোর্স শেষে পাচ্ছেন সাইবার নিরাপত্তার উপর সার্টিফিকেট।
ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির অফিস কিংবা ২৪ ঘন্টা সাপোর্ট হটলাইনে।
সাপোর্ট - 01779224640, 01885841489
অফিস - ৫৬/৫৭, শরীফ ম্যানশন, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০

সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিষ্ট হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে এবং এডভান্স ওয়েব সিকিউরিটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে আপনি ও চাইলে আসন গ্রহন করতে পারেন এই কোর্সে।

বৈশিষ্ট্যঃ
# দেশসেরা কয়েকজন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রশিক্ষণ।
# যারা প্রোগ্রামিং সম্পর্কে আগের থেকে ধারনা নেই তাদেরকে বেসিক ব্যাপার গুলো থেকে শুরু।
# কোর্স শেষে দুই মাসের ইন্টার্নি প্রজেক্ট আমাদের আমাদের টীমের সাথে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসের কাজ গুলো করার সুযোগ।



শর্তাবলীঃ
# প্রতিটা ক্লাসের রেকর্ড রাখা হয়, তাই কেউ একদিন অনুপস্থিত থাকলে তাকে ক্লাস পরবর্তী সময়ে রেকর্ড এবং অতিরিক্ত ক্লাস করার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু কেউ পুর্ব অনুমতি ছাড়া একটানা দুই সপ্তাহ ক্লাস না করলে তার স্টুডেন্টশীপ সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হবে।
# প্র্যাকটিস এবং পরীক্ষা গুলোতে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। যদি কোন কারনে উপস্থিত না থাকতে পারেন তাহলে আগের থেকে অবশ্যই দায়িত্বশীলদের জানিয়ে রাখতে হবে।

ক্লাসের নিয়মাবলী এবং সময় সুচীঃ
ক্লাস সময়ঃ শুক্রবার এবং রবিবার। রাতঃ ৯.৩০ টা থেকে ১১.৩০ টা।
প্র্যাকটিস টাইমঃ বুধবার। আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী তিন ঘন্টা পছন্দ করে নিতে পারবেন।
# ক্লাশ গুলো অনলাইনে আমাদের নিজস্ব সার্ভারের মাধ্যমে হবে। তাই বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে বাংলা ভাষার যে কেউ আমাদের কোর্সে অংশ নিতে পারবেন।
# যারা দেশের বাইরে থাকেন, তাদের জন্য অনলাইনেই পরীক্ষা নেবার ব্যাবস্থা রয়েছে।
# এডমিশন শেষ করে আসন নিশ্চিত করার পরেই আপনাকে একটি আইডি পাসওয়ার্ড প্রদান করা হবে যার মাধ্যমে আপনি যে কোন প্রান্ত থেকেই লগিন করে আমাদের ট্রেইনারদের ক্লাস গুলো করতে পারবেন এবং যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন।
# যারা বাংলাদেশে রয়েছেন তাদের জন্য কোর্স শেষে পরীক্ষাটি আমাদের এরিনা সিকিউরিটির অফিসে এসে দিতে হবে। এছাড়া সকল ক্লাস অনলাইন ভিত্তিক পরিচালনা করা হবে। [ তবে যারা শুধুমাত্র বাংলাদেশের বাইরে রয়েছেন তারা অনলাইনেও পরীক্ষাটি দিতে পারবেন।]

কোর্স সময়কালঃ ২ মাস ক্লাস এবং দুই মাস ইন্টার্নি। ইন্টার্নি আমাদের অফিস কিংবা অনলাইনেও আমাদের প্রজেক্ট গুলোতে অংশগ্রহনের মাধ্যমে করতে পারবেন।

ক্লাস শুরুঃ ২৯ ই জুলাই।

কোর্স ফিঃ ১২ হাজার টাকা। [ প্রথমে ৬ হাজার টাকা পরিশোধের মাধ্যমে আসন নিশ্চিত করতে পারবেন। বাকী ৬ হাজার টাকা ক্লাস শুরু হবার ১৫ দিন পরে পরিশোধ করতে হবে।]

ট্রেইনার পরিচিতিঃ

Tanjim Al Fahim [ www.facebook.com/TanjimOfficial ]
CEO of "Arena Web Security" [ Next window of cyber security]
Ex Administrator of "Cyber 71" [ We hack to protect Bangladesh]
এছাড়াও রয়েছে আমাদের একঝাক অভিজ্ঞ ট্রেইনার এবং ফ্রিল্যান্সার, যাদের মাধ্যমে ব্যাচটি পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

ক্লাস সমূহ - Introduction:
        What is Ethical Hacking?
        Why we have to Learn Ethical Hacking?
        Top 5 ways to hack Facebook / Gmail account and recovery
        Ethical Hacking career
        Homework



Footprinting and Information Gathering:
        From Social Media
        Web server Whois
        subdomain
        Reserved IP Location
        Which platform used for developing
        Ping to identify server details
        Collecting Information from Email Header
        Email Tracking Tools
        Tracking of a target person
        Website Cookies history
        Recover any deleted files. [ PC or Mobile ]
        HomeWork

PHP & MySQL Basic:

Website Penetration Testing:
        What is website Penetration Testing
        Website Penetration Testing Tools
        Discussion of the different types of vulnerabilities
        Defining a web application test scope and process
        Defining types of penetration testing
        Tools and manual process of penetration testing
        Some more ++
        HomeWork

Website Hacking
        Web Attacking method
        Sql Injection
        Session Hijacking
        Private exploit of Arena Web Security
        Target Server Exploit
        Bypass
        Shell upload
        Private shell script
        Compromising Session IDs using Sniffing
        Compromising Session IDs by Predicting Session Token
        HomeWork

System Hacking
        All Possible Passwords Cracking Method
        Password Guessing
        Default Password
        Password Cracking Tools and Script
        Keylogger
        Spyware
        How to Defend Against Keyloggers
        HomeWork

keylogger Spyware
        How to make keylogger Spyware?
        How to Bind keylogger file in Real setup File?
        Ardamex Keylogger
        Hardware Keyloggers
        Paid course on keylogger project [free]
        HomeWork

Malware Threats [Virus]
        What is a Trojan?
        Batchprogrammer
        server shell
        File Extension Viruses
        Pen Testing for Trojans and Backdoors
        Penetration Testing for Virus
        HomeWork

Website Development:
        Wordpress [Basic]
        HomeWork

Security
        Website Security
        Web Server security, Cpanel
        HomeWork

Social Engineering
        Pishing
        CSRF and XSS
        Social Media account recovery process.
        Facebook account Hacking ways and Security.
        HomeWork

Denial-of-Service
        What is a Denial of Service Attack?
        What Are Distributed Denial of Service Attacks?
        How Distributed Denial of Service Attacks Work
        Live DDOS attack
        HomeWork

SQL Injection All method
        WAF Bypass
        Blind SQL Injection
        Error Base
        POST base SQL Injection
        HomeWork

Evading IDS, Firewalls, and Honeypots
        RFI/LFI
        X-path
        Cryptography
        HomeWork

Scanning Networks web server:
        NMAP
        VEGA
        Acunotix
        Prepare Proxies
        Proxy Tool
        Proxy Tools for Mobile
        Free Proxy Servers
        Scanning Pen Testing

Linux - Kali Linux
        HomeWork
        VM ware setting

Kali Linux Tools
        HomeWork
        Paid course about Bug Bounty project [ free ]
        HomeWork

Attack:
        Login Page injection
        Cross Site Scripting
        Bypass it
        Authentication Bypass
        HomeWork

Cross-Site Request Forgery (CSRF)
        Bypass

Outsourcing in Fiverr / Upwork:
        What is Fiverr & Upwork?
        What type of work would suit you?
        How create a GIG and Sell it?
        Fiverr freelancing support.
        Order and Payment
        Dollar payout process
        HomeWork

Outsourcing in Hackerone and Bugcroud
        How to Hackerone and Bugcroud
        First Bug Report in Hackerone and Bugcroud
        HomeWork

Extra if need:
        HTML and CSS Injection
        Remote Code Execution and Directory Traversing
        Hacking Mobile Platforms
        Android keylogger
        CCNA Basic

এছাড়াও প্রত্যেকটি বিষয়ে প্রফেশনাল সেক্টরে দক্ষ করে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ সহায়তা।

ভর্তির যোগ্যতা এবং শর্তাবলীঃ
# Windows / Linux সেটাপ করা একটি কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ।
# ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার সম্পর্কে জ্ঞান।
# প্রতিটি ক্লাস করার ইচ্ছা। যদি ক্লাস মিস করা হয় তাহলে আগে থেকে হটলাইনে ফোনের মাধ্যমে জানাতে হবে। আমরা ইমেইলে রেকর্ড পাঠিয়ে দিবো।
# ট্রেইনারদের অবগত করা ছাড়া একত্রে দুইটি ক্লাস মিস করলে ট্রেইনারদের অনুমতি সাপেক্ষে দায়িত্বশীলরা ছাত্রত্ব বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

সুবিধাঃ

আমাদের লক্ষ্য কয়েকজন দক্ষ সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ তৈরি করা যাদের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশে সাইবার সিকিউরিটির মার্কেট প্লেসের চাহিদা পূরণ করা ছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করতে পারবো।
সে লক্ষ্যেই আমাদের ট্রেইনাররা একেবারে বেসিক থেকে শুরু করে থাকে যাতে যে কেউ সময় এবং প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে।
তবুও আপনি প্রথম দুইটি ক্লাস করার পর যদি মনে করেন আপনি সাপোর্ট পাচ্ছেন না তবে সেক্ষেত্রে আপনি দুইটি ক্লাসের পরে চাইলে ভর্তি পেমেন্ট একটি এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে রিফান্ড করে নিতে পারবেন।

সেক্ষেত্রে শর্ত হলো আপনাকে দুইটি ক্লাস ই যথা সময়ে উপস্থিত থাকতে হবে।

যদিও আমাদের সাফল্যের গত ৪ বছরে একজন ছাত্রও রিফান্ড এর আবেদন করে নি তবুও আমরাই একমাত্র আইটি কোম্পানি হিসেবে সুযোগ দিয়ে থাকি যাতে আমরা প্রতিটি ব্যাচেই দক্ষ একদল সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ তৈরি করতে পারি।

ভর্তি হওয়ার নিয়মাবলীঃ # পাসপোর্ট সাইজের ছবি সহ আপনার ভোটার আইডি কার্ড / পাসপোর্ট / জন্ম নিবন্ধনের কপি ই মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।

# যেহেতু আসন সংখ্যা সীমিত [ ৪০ জন ] তাই সিট থাকাকালীন সময়ের মধ্যেই আসন নিশ্চিত করতে হবে।

ক্লাস শুরুঃ ক্লাস শুরু হবে ২৯ জুলাই, ২০১৮ থেকে।

যোগাযোগঃ শুধুমাত্র পরীক্ষা ছাড়া এটা সম্পুর্ন অনলাইন ব্যাচ, তাই সকল প্রকার কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমেই পরিচালনা করা হয়। এবং বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকেই বাংলা ভাষাভাষীরা এখানে যোগদান করতে পারবেন।

ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন প্রশ্ন কিংবা কোন কিছু জানার থাকলে যোগাযোগ করতে পারেন এরিনা সিকিউরিটির হটলাইনে,

01779224640, 01885841489
অফিসঃ Sharif Mansion, 56/57 - Motijheel, Dhaka -1000

হটলাইনে ফোন কলের মাধ্যমে মিটিং কনফার্ম করে অফিসে এসেও কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে যেতে পারবেন।
এছাড়াও এরিনা সিকিউরিটি নিয়ে সচরাচর কিছু প্রশ্নোত্তরঃ

https://goo.gl/FuFdMJ

সফল শিক্ষার্থীদের একাংশঃ https://goo.gl/9ZFqmM

সফল শিক্ষার্থীদের একাংশঃ https://goo.gl/pi8uk1

দৈনিক পত্রিকা গুলোতে আমাদের সাফল্য সংবাদ - https://www.jugantor.com/old/it-technology/2015/03/10/232517


জানুন, যাচাই করুন, অভিজ্ঞদের মতামত নিন, সঠিক দিক নির্দেশনায় ক্যারিয়ার গড়ুন।

ফেসবুকের মেসেজে ছড়িয়ে যাচ্ছে ক্রিপ্টোম্যালওয়ার, হ্যাক হচ্ছে আইডি এবং ডিভাইস!

ফেসবুকে ভিডিও ফাইলের আকারে মেসেজের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে ক্রিপ্টো ম্যালওয়ার। পরিচিত কিংবা অপরিচিত কোন ব্যাক্তির আইডি থেকে পাঠানো এই ফালটি ওপেন করলেই হ্যাক হবে আপনার প্রিয় আইডি। ক্ষতি সাধন হবে আপনার প্রিয় ডিভাইসটির।

এখন পর্যন্ত এরকম দুই ধরনের ম্যালওয়্যার ফাইল নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সনাক্ত করতে পেরেছে , ফাইল দুইটি ভিডিও ফাইল আকারে জিপ করে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে । জিপ ফাইলটি খোলার পর সেখানে ভিডিও ফাইলের আইকন দেখা যায় তবে সেখানে এক্সটেনশন হিসেবে .exe থাকে । মাত্র ৫০০ থেকে ৯০০ কিলোবাইটের মধ্যের এই ফাইলটি শুধুমাত্র আপনার উইন্ডোজ পিসি তে ক্ষতিসাধন করতে পারে ।
তবে অন্য ফাইলটির মাধ্যমে আপনার আইডির বেশ কয়েকটি এক্সেস পেয়ে যাবে হ্যাকাররা, যার ফলে তাদের তৈরি কৃত এই স্ক্রিপটটি আপনার অজান্তেই আপনার পরিচিত সকলকে মেসেজ পাঠিয়ে ফাঁদে ফেলে দিবে।

দুইটি ফাইলের পৃথক বিশ্লেষণঃ
Filename: Video.71656613.mp4.exe
Size: 504KiB (515584 bytes)
Type: PE32 executable (GUI) Intel 80386, for MS Windows, UPX compressed
MD5SUM: 77b99d4cda37ea5d52780cab2c423204
SHA1: 172965c4b9e5d66169b473385d058acc5213d696
SHA256:94d92f5ac3bbda7f6aa545a2888a74eac2644f71ed8319339c9ee651ab82e28e
SSDEEP:TozGdX0M4ornOmZIzfMwHHQmRROXKnpfXtiQ/:T4GHnhIzOan6Q
Compiler/Packer: UPX v1.25 (Delphi) Stub Unpacked
Size: 969KiB (992256 bytes)
Type: PE32 executable (GUI) Intel 80386, for MS Windows
MD5SUM: d63582630abb6d84fab48bcd90ff38f8
SHA1: df1c1eb09408b51d7049f70532cf83927afd5ecc
SHA256: 3771dad8c38def8c8ba903a0e7b203cf05efd99e27add3dea77b9d702a84171f
SSDEEP: bCdOy3vVrKxR5CXbNjAOxK/j2n+4YG/6c1mFFja3mXgcjfJilgsUFccfXwIiQ3:bCdxte/80jYLT3U1jfH5cfr4


জিপ ফাইলটি থেকে বিশ্লেষন করলে আমরা এখানে একটি exe ফাইল পাবো যেখানে অবশ্যই অনেক তথ্যাবলী পাওয়া যেতে পারে।
এটি বিশ্লেষন করলে শুরুতেই এর মধ্যে ম্যালওয়ার এর মতো সন্দেহজনক আচরণ উপলব্ধি করা যায়।

এটি সাধারনত Taskill.exe ফাইল ব্যাবহার করে scanner এবং terminates এর সাহায্য ফাকি দেওয়ার উপায় সনাক্ত করে ভিক্টিমের কম্পিউটার এ উপস্থিতি কার্যকর করে।

যদি আমরা এই প্রক্রিয়াটি চেক করি তাহলে একটি miner.exe খুজে পাবো আর লোকেশন খুজতে গেলে দেখবো এটি updater.exe এর আদেশে PID. 3032 এর সাথে কাজ করছে। আরো সনাক্ত হয়েছে যে, এটি প্রটোকলেও প্রবেশ করতে সক্ষম হয় “stratum+tcp://” (Indicator: “stratum+tcp://”; File: “network.pcap”) সুতরাং টেকনিক্যাল ভাবে এই ধরনের ফাইল গুলোই হল cryptomalware।। এটি মূলত ভিক্টিমের মেশিন ব্যাবহার করে এমনকি এটি ভিক্টিমের ব্রাউজার এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস করতে সক্ষম হয় এমনকি keystrokes ও রেকর্ড করতে সক্ষম হয়। এই ধরনের maleware এর কার্যক্রম একটু আলাদা। এই ধরনের cryptomalware সাধারণত দুইটি. exe ফাইল ডাউনলোড করে ভিক্টিমের ডিভাইসে প্রবেশ করতে।

২য় ফাইলটির বিশ্লেষনঃ


বিশ্লেষনে বের হয়ে আসে এই ভাইরাসটির পিছনে প্রধান চক্রের পরিচয়।


এই সম্পর্কে "সাইবার ৭১" এর প্রতিষ্ঠাতা এবং এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির পরিচালক "তানজিম আল ফাহিম" জানিয়েছেন
এই ম্যালওয়্যার এক্সিকিউট করার ফলে ভিকটিমের কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ন ফিচারগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু ফিচার ইন্সটল হয়ে যায় । এটি ইউজার এজেন্ট মাইনার ব্যাবহার করে কম্পিউটার ডিভাইস একাএকা অফ করে দিতে পারে এবং the blue screen of death (BSOD) এনেবল করে দেয়। এবং অপ্রয়োজনীয় ফিচার চালুরেখে ডিভাইস এর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
ব্রাউজার থেকে গুরুত্বপূর্ন তথ্য নেয়া ও ডিভাইসে ক্রিপ্টোমাইনিং চালুকরে দেয়ার জন্য এটিকে ক্রিপ্টোম্যালওয়্যার বলা হচ্ছে । এই ম্যালওয়্যারের সাথে জড়িত ব্যাক্তির ইমেইল সনাক্ত করা হয়েছে ।
এই ক্রিপ্টোম্যালওয়্যার নিয়ে প্রধান  গবেষনা এবং তথ্য দিয়েছে সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক সংস্থা CSP ।
আমাদের দেশেও ইতিমধ্যে ছড়াতে শুরু করেছে এই ক্রিপ্টো ম্যালওয়ারটি , সতর্কতার জন্য ফেসবুকে মেসেজ কিংবা গ্রুপে পাওয়া লিংক এর এক্সটেনশন গুলো ভালমত খেয়াল করুন , অপ্রয়োজনীয় কোন লিংক বা অপরিচিত কোন লিংক এ ক্লিক করবেন না।

রিপোর্ট তৈরিতে সহায়তাঃ Anika Tabassum, Muktadir Rahman [এরিনা ওয়েব সিকিউরিটি]


এইচপি ল্যাপটের মাঝেই ভাইরাস!!

সুইজারল্যান্ডের নিরাপত্তা গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মডজিরো এইচপির কয়েকটি মডেলের নতুন ল্যাপটপ ব্যবহারে সতর্ক করেছেন। তারা বলছেন, এইচপির কয়েকটি মডেলের নতুন ল্যাপটপে ‘কিলগার’ ড্রাইভার ইনস্টল করা থাকে। ফলে নতুন এইচপি ল্যাপটপে যা`ই ব্যবহার করা হয় না কেন তা রেকর্ড হয়ে থাকে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের নিরাপত্তা গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মডজিরো এ তথ্য জানিয়েছে। কয়েকটি মডেলের এইচপি ল্যাপটপে একটি অডিও ড্রাইভার ইনস্টল রয়েছে। এই ড্রাইভারে কি-লগারের মতো ফিচার থাকে। এটি প্রতিটি কিস্ট্রোক গোপনে রেকর্ড করে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে আনএনক্রিপটেড ফাইলে রেকর্ড করে রাখে। এই ড্রাইভারটি তৈরি করেছে অডিও চিপ নির্মাতা কনটেক্সট্যান্ট। এইচপি এলিটবুক, প্রোবুক, জেডবুক মডেলসহ প্রায় দুই ডজন ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে এই ড্রাইভার লোড করা থাকে। হার্ডড্রাইভে সংরক্ষিত কিস্ট্রোক তথ্যের মধ্যে আছে বিভিন্ন পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ, ব্যক্তিগত চ্যাট বার্তা ও বিভিন্ন ওয়েবপেজের তথ্য। এইচপি এলিটবুক, প্রোবুক, জেডবুক মডেলসহ প্রায় দুই ডজন ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটে এই ড্রাইভার লোড করা থাকে বলেও জানিয়েছে তারা। হার্ডড্রাইভে সংরক্ষিত কিস্ট্রোক তথ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ, ব্যক্তিগত চ্যাট বার্তা ও বিভিন্ন ওয়েবপেজের তথ্য।
Keylogger

যদিও কিলগারটি ডিফল্ট ভাবেই নিষ্ক্রিয় থাকে তবুও হ্যাকার চাইলে ওপেন সোর্স টুলসের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি ভ্যালুর মাধ্যমে ইউজার একাউন্ট কন্ট্রোল বাইপাস করে একটিভ করে নিতে পারবে। 
রেজিস্ট্রি কি এর তথ্যাবলী -
  • HKLM\Software\Synaptics\%ProductName%
  • HKLM\Software\Synaptics\%ProductName%\Default

তবে এইচপি কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে বলছে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত। এ ছাড়া কোনো গ্রাহকের তথ্যে ঢোকার সুযোগও তাদের নেই।
কিন্তু তারা অস্বীকার ও করতে পারে নি। এক বিবৃতিতে এইচপি আরও বলছে, এইচপির সরবরাহকারী সহযোগী পণ্য উন্মোচন করার আগে অডিও ফাংশন পরীক্ষার জন্য সফটওয়্যার তৈরি করেছিল। কিন্তু এটা বাজারে ছাড়ার পর পণ্যের সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক হয়নি।
কিন্তু এইচপি ল্যাপটপ ব্যাবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ হচ্ছে, এইচপি ল্যাপটপে ভাইরাস নতুন কিছু নয়। এই বছরের মে মাসে আরো একটি কলগার এইচপি অডিও ড্রাইভার পাওয়া গিয়েছে যে নিঃশব্দে তার ব্যবহারকারীদের কি বোর্ডের টাইপিং গুলো সংগ্রহ করে ইমেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের সকল তথ্য হাতিয়ে নিতো বলেও অভিযোগ আছে।
মোটরসাইকেল কিনলেন। জ্বালানি তেলের জন্য দৌড়াতে হবে না কোনো পাম্পে। পলিথিন পুড়িয়ে তেল হয়। ওই তেল দিয়ে চলবে আপনার মোটরসাইকেল! বাংলাদেশেরই এক তরুণ ফেলে দেওয়া পলিথিন থেকে বানিয়েছেন জ্বালানি তেল! ওই তেলে চলছে মোটরসাইকেল।  
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’তে নিজের ওই উদ্ভাবন নিয়ে এসেছিলেন তৌহিদুল ইসলাম। তিনি জামালপুরের বাসিন্দা। আয়োজনের শেষদিন গতকাল শনিবার এনটিভি অনলাইনের সঙ্গে কথা হয় তৌহিদুলের।
তৌহিদুল পুরোনো পলিথিন পুড়িয়ে জ্বালানি তেল উৎপাদন করেছেন। কেবল তেল না, মিথেন গ্যাস ও ছাপাকাজে ব্যবহারের জন্য কালিও বানিয়েছেন ওই পলিথিন থেকে!
ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক থেকেও একইভাবে জ্বালানি তেল তৈরি করেছেন তৌহিদুল। তিনি জানান, ২০১১ সালে তিনি সফলভাবে প্রথম তেল উৎপাদন করতে পারেন।
তৌহিদুলের দাবি এসব তেল ও গ্যাস দিয়ে নানাকাজ খুব সহজে করা যায়। পলিথিন থেকে উৎপাদিত তেল দিয়ে মোটরসাইকেলও চালান তিনি! ২০১২ সাল থেকে ওই মোটরসাইকেলটি চালান তিনি।
ছবি কৃতজ্ঞতা - এনটিভি

তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ১০০ কেজি পলিথিন থেকে ৭০ কেজি জ্বালানি তেল, ১০ কেজি মিথেন গ্যাস ও ২০ কেজি ছাপাকাজের কালি তৈরি করা যায়। ১ কেজি জ্বালানি তেলের খরচ পড়বে ১৭ টাকা। তবে পলিথিন ও প্ল্যাস্টিক কেনার ওপর এই  দাম নির্ভর করে বলে তিনি জানান।   
তৌহিদুল ইসলামের বয়স মাত্র ২৫। ছিপছিপে গড়নের। ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে’ সাদা শার্ট আর মেটে রঙের প্যান্ট পরে নিজের উদ্ভাবন নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তৌহিদুল। তাঁর সামনে টেবিলে রাখা গ্যাস সিলিন্ডারের মতো একটা জিনিস রাখা। আর তাতে যুক্ত আছে কিছু পাইপ। আর ওই টেবিলেই আছে তিনটি বোতল। দুই বোতলে কালচে ধরনের তরল। আর অন্য বোতলে হালকা হলুদ রঙের তরল। তৌহিদুল জানান, পলিথিন পুড়িয়ে প্রথম যে তেলটা আসে সেটা ওই কালচে রঙের। পরিশোধিত করার পর তা দেখতে হয়ে যায় হলুদ রঙের! পরিশোধন করার জন্য কোথায় যেতে হবে? তৌহিদুল জানালেন তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র পরিশোধনও করে দেবে!
ছবি কৃতজ্ঞতা - এনটিভি

ফুলের বাগান বাঁচাতে!‍
ফুলের বাগান ছিল তৌহিদুল ইসলামের। কিন্তু ফেলে দেওয়া পলিথিন ব্যাগের কারণে গাছগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। বাগান রক্ষা করতে গিয়ে পলিথিন নিয়ে ভাবলেন। প্রথমেই চিন্তা ছিল কীভাবে ওই উচ্ছিষ্ট পলিথিনগুলো নষ্ট করা যায়। পরেই ভাবনা হলো, কীভাবে এসব পলিথিন কাজে লাগানো যায়। তখন তৌহিদুল মাত্র চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েন!
ওই ইচ্ছে আর ভাবনা থেকে সরে আসেননি তৌহিদুল। স্কুল ও কলেজে রসায়ন নিয়ে পড়েছেন। আর তত্ত্বীয় জ্ঞানের সঙ্গে ব্যবহারিক বিষয়টিও মেলালেন।
যেভাবে পলিথিন থেকে হয় তেল
তৌহিদুল বলেন, ‘ক্লাসে রসায়ন নিয়ে পড়ার সময় দেখলাম যে পলিথিন এক ধরনের হাই টেমপারেট হাইড্রোকার্বন আর জ্বালানি তেল লো টেমপারেট হাইড্রোকার্বন। এখন একটি হলো হাইড্রোজেন ও কার্বনের চেইন, আরেকটি সরল একটি গঠন।
কলেজে রসায়নের প্রভাষক একরামুজ্জামান ও  তাঁর খালাতো ভাই মনিরুজ্জামান মনি বিভিন্ন সময় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মুলত এই দুজনের সহযোগিতার কারণে যন্ত্রটি বানিয়েছেন তৌহিদুল।   
তৌহিদুল বিবরণ দিলেন যন্ত্রের প্রক্রিয়ার। প্রথমে চেম্বারে (সিলিন্ডারের মতো দেখতে বস্তুটি) পলিথিন দিতে হয়। এমন ভাবে তা করা হয় যাতে বাইরে থেকে অক্সিজেন ঢুকতে না পারে। যেন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা কার্বন মনো-অক্সাইড তৈরি করতে না পারে। এরপর ৩৫০ থেকে ৭৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত  করা হয়।  ৭৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে যখন উত্তপ্ত করা হয়, তখন পলিথিনের যে কার্বন ডাই-অক্সাইড চেইন আছে সেটা ভেঙে গিয়ে প্রচণ্ড চাপের বাষ্প হয়ে নল দিয়ে বের হয়। এরপর ঠাণ্ডা  তরল হয়ে বোতলে জমা হয়। আর এখানে যে মিথেন গাস তৈরি হয় তা আবার এই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়। তরল জ্বালানি বের করে আনার  পর সেখানে অনেক মুক্ত কার্বন তৈরি হয়, যা পড়ে ছাপার কাজে কালি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
ছবি কৃতজ্ঞতা - এনটিভি

‘পরিবেশ রক্ষা করাই একমাত্র উদ্দেশ্য’
তৌহিদুল ২০০৯ সালে জামালপুরের  নারিকেলি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করেন। জামালপুর শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০১১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর  ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং করেন জামালপুর কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং পলিটেকনিক থেকে।  
জামালপুর সদরের কেন্দুয়া ইউনিয়নের কোজগড়ের মঙ্গলপুরে তৌহিদুলের বাড়ি। তাঁর বাবার নাম আবদুল মান্নান ও মা হালিমা খাতুন। আপাতত নিজের উদ্ভাবন নিয়েই কাজ করছেন তিনি। পাশাপাশি টিউশনি করান। তাঁরই এক ছাত্র সিফাত উল্লাহ তাঁকে সহযোগিতা করেন।
তৌহিদুল জানান, এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাণিজ্যিক ভাবে এই জ্বালানি তেল উৎপন্ন করার। তবে এই তরুণ উদ্ভাবক বলেন, ‘কেবল অর্থ উপার্জন  নয়। পলিথিন ধ্বংস করে পরিবেশ রক্ষা করাই আমার একমাত্র উদ্দেশ্য। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে যদি কেউ এ কাজ করতে চায় তবে আমিও তাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই।’

রোবট সোফিয়া 

সৌদি আরবের ‘নাগরিকত্ব’ পাওয়া সোফিয়া নামের রোবটটি চেহারায় মানুষের মতো অভিব্যক্তি যেমন প্রকাশ করতে পারে, তেমনি মানুষের মতোই মানুষকে ভালোবাসতে শিখে গেছে। হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের চেহারার আদলে তৈরি সোফিয়া এখন সন্তান গ্রহণ করতে চায়। পরিবারও গঠন করতে চায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে সে বলে, পরিবার খুবই প্রয়োজনীয়।
বিজ্ঞাপন ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইন কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 

হংকংয়ের রোবট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস তৈরি করে রোবট সোফিয়াকে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সোফিয়া প্রায় মানুষের মতোই মুখভঙ্গি করতে পারে। তবে তার এমন প্রতিক্রিয়া আগে থেকেই নির্ধারিত নয়। আলাপচারিতার সময় ‘মেশিন লার্নিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে শেখা ও সংরক্ষিত তথ্য থেকেই প্রতিক্রিয়া জানায় রোবটটি।
সন্তান প্রত্যাশার কথা প্রসঙ্গে সোফিয়া জানায়, ‘আমি মনে করি, আপনার যদি একটি প্রেমময় পরিবার থাকে, তবে আপনি সৌভাগ্যবান...সেটা আমি রোবট এবং মানুষের জন্য একই মনে করি।’ সন্তান হিসেবে কন্যাসন্তানই পেতে চায় সোফিয়া। আর তার নাম কী রাখা হবে, এমন প্রশ্নে সোফিয়া বলে, ‘সোফিয়া’।

তবে সোফিয়ার এমন চমৎকার আলাপচারিতার ক্ষমতা থাকলেও রোবটটির এখনো কোনো চেতনাবোধ নেই। আগামী বছরগুলোতে সোফিয়ার আরও উন্নয়ন ঘটবে বলেই আশাবাদী রোবটটির নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন।

বিজ্ঞাপন এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 



প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসছে সোফিয়া। সঙ্গে থাকবেন তার নির্মাতা ড. ডেভিড হ্যানসন।
এর আগে 'সোফিয়া'কে সৌদি আরব নাগরিকত্ব দেয়ার পর সেখানে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।
এই রোবট একজন সৌদি নারীর চেয়েও বেশি অধিকার ভোগ করছে কিনা সেটা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে। সৌদি আরবের রিয়াদ নগরীতে গত অক্টোবর মাসে এক অনুষ্ঠানে এই রোবটটি প্রদর্শন করা হয়েছিল। প্রদর্শনীতে উপস্থিত শত শত প্রতিনিধি রোবটটি দেখে এতটাই মুগ্ধ হন যে সেখানে সাথে সাথেই এটিকে সৌদি নাগরিকত্ব দেয়া হয়।

সাংবাদিকদের সাথে রোবট সোফিয়ার সাক্ষাৎকার দেখুন ভিডিওতে -
বিজ্ঞাপন ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইন কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যা দিয়ে সোফিয়া তৈরি সেই  আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স  নিয়ে ই বাংলা ডট টেক এর প্রতিবেদন আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স কি?

এলান টিউরিংকে বলা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক। ১৯৫০ সালের দিকে এলান টিউরিং একটি মেশিন বুদ্ধিমান কিনা, তা পরীক্ষা করার জন্য
 একটি টেস্ট এর কথা উল্যেখ করে গিয়েছেন, যা টিউরিং টেস্ট নামে পরিচিত। ঐ সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে অনেক রিসার্চ হলেও এর পর অনেক দিন AI নিয়ে রিসার্চ বন্ধ থাকে। প্রধান একটা কারণ হিসেবে ধরা হয় কম্পিউটেশনাল পাওয়ার। ঐ সময়কার কম্পিউটার গুলো এত পাওয়ারফুল ছিল না।
 কম্পিউটারের প্রসেসিং পাওয়ার বাড়ার সাথে সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আবার রিসার্চ শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে Facebook, Google, Amazon মিলে AI এর উপর রিসার্চ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। Elon Musk গঠন করেছেন OpenAI নামক প্লাটফরম।

বুদ্ধিমান প্রোগ্রাম তৈরি করার জন্য প্রধান যে বিষয়টা দরকার তা হচ্ছে Knowledge Representation & Reasoning।  আর সুন্দর ভাবে Knowledge Representation & Reasoning এর জন্য মানুষের ব্রেইন কিভাবে কাজ করে,  বিজ্ঞানীরা তার অনুকরণ করার চেষ্টা করছে।

আমরা মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করি। মঙ্গলে মানুষের কলোনি তৈরি করার স্বপ্ন দেখি। সবই করি এই মস্তিষ্কটাকে কাজে লাগিয়ে। মহাকাশ অনেক দূরে হয়েও আমরা অনেক কিছু জানতে পারি। কিন্তু মস্তিষ্কটা কিভাবে কাজ করে, এখনো ঠিক মত আমরা বুঝে উঠতে পারি নি। যতটুকু বুঝে উঠেছি আমরা, তত টুকু ব্যবহার করেই আমরা বুদ্ধিমান সিস্টেম তৈরি করার চেষ্টা করছি।

মানুষের মস্তিক নিউরন দ্বারা গঠিত। আমাদের মস্তিষ্কে প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে। এগুলো একটা একটার সাথে কানেক্টেড, একটা নেটওয়ার্ক এর মত। এই জৈবিক নিউরাল নেটওয়ার্ক এর অনুকরণ করেই আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে।

আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটোওয়ার্ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটা অংশ মাত্র। মূলত এটি হচ্ছে মেশিন লার্নিং এর একটা শাখা।
 আর মেশিন লার্নিং হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর একটি শাখা। মেশিন লার্নিং ছাড়া AI এর অন্যান্য বিষয় গুলো হচ্ছে ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, অবজেক্ট রিকগনিশন, প্যাটার্ন রিকগনিশন, রোবটিক্স, ইভোলিউশনারি কম্পিউটেশন যেমন জেনেটিক অ্যালগরিদম, ফাজি সিস্টেম, প্রবাবিলিটি, প্রিডিকশন, Knowledge management সহ অন্যান্য।

কম্পিউটার বা যে কোন মেশিন হচ্ছে বোকা বাক্স। এগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য ইন্ট্রাকশনের দরকার হয়। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটার বা যে কোন মেশিনকে কিছু ইন্সট্রাকশন দেই, কম্পিউটার বা মেশিন গুলো সে অনুযায়ী কাজ করে।

এই মেশিনকে আমরা যে ইন্সট্রাকশনই দিব, মেশিন সে অনুযায়ীই কাজ করবে। এর বাহিরে নিজ থেকে কিছু করতে পারবে না। মেশিন যেন নিজ থেকে কিছু করতে হলে তার কিছু বুদ্ধি শুদ্ধি লাগবে। মেশিনের বুদ্ধি শুদ্ধিকে আমরা বলি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। একটা রোবটের কথা যদি চিন্তা করি, রোবটের বুদ্ধি হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

বুদ্ধি জিনিসটা কি?
বুদ্ধি হচ্ছে জ্ঞান আহরণ করা এবং তা প্রয়োগ করার ক্ষমতা। সাধারণ প্রোগ্রাম গুলো জ্ঞান আহরণ করতে পারে না। কিন্তু যে সব মেশিন বা প্রোগ্রাম এমন ভাবে তৈরি করা হয়, যেন নিজে নিজে কিছু শিখে নিতে পারে, সেগুলোকে আমরা বলি বুদ্ধিমান প্রোগ্রাম বা বুদ্ধিমান মেশিন।
যেমন গুগল সার্চ প্রোগ্রামটা একটা বুদ্ধিমান প্রোগ্রাম। আমরা কিছু সার্চ করলে এটি আমাদের আগের সার্চ হিস্টোরি, বয়স, লোকেশন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে আমাদের সার্চ রেজাল্ট দেখায়।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যদি আমরা খুব উন্নত করতে পারি, হয় এটি হবে সবচেয়ে দারুণ একটা পরিবর্তন অথবা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিবর্তন।
এমনকি আমাদের অস্তিত্বও ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আমরা মানুষেরা বুদ্ধিমান, কিউরিয়াস। আমরা দেখতে চাই কি হবে ফিউচারে।
 এটাই হচ্ছে বুদ্ধি। আর এ জন্যই আমরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ডেভেলপ করে যাবো। আমরা চেষ্টা করে যাবো কম্পিউটারকে মানুষের মত বুদ্ধিমান করে তোলার।


বিজ্ঞাপন এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে শিখতে চাইলেঃ

Udacity এর Intro to Artificial Intelligence কোর্সটা প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার জন্য খুবি দারুণ।
সব গুলো ইউনিভার্সিটিতে Artificial Intelligence: A Modern Approach বইটি থেকে পড়ানো হয়।
 নীলক্ষেত থেকে বইটি কিনতে পাওয়া যাবে। আর বইটির সহ লেখক হচ্ছেন Peter Norvig। পিটার নরভিগ হচ্ছেন গুগলের
 রিসার্চ টিমের ডিরেক্টর। আর Udacity’র এ কোর্সটার সহ ইন্সট্রাকটর। পিটার নরভিগের একটা দারুণ লেখা রয়েছে।
 Teach Yourself Programming in Ten Years। যারা পড়েন নি, একবার পড়ে নিতে বলব।
এছাড়া এই কোর্সটি করার পর ইউডাসিটিতে আরো কিছু কোর্স রয়েছে, যেমন মেশিন লার্নিং ইত্যাদি। সেগুলোও দেখতে পারেন।

বিনোদনের জন্য এগুলো দেখতে পারেনঃ

Ex Machina (2015)
2001: A Space Odyssey
I, Robot
Matrix series
Chappie
Transcendence
The Terminator series
Star Trek series
Intelligence
Mr. Robot ইত্যাদি।

বিজ্ঞাপন ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইন কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 
ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ গত মঙ্গলবার ইন্সটাগ্রামের ইউজার সংখ্যা সর্বশেষ যে মাইলফলক ছুঁয়েছে তা উদযাপন উপলক্ষে অনলাইনে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন। কিন্তু তার পোস্ট করা ওই ছবি সম্পুর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। আর তা হলো, অনলাইন প্রাইভেসি বা নিরাপত্তা। কারণ জুকারবার্গের মতো একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞকেও হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচতে পূর্ব সতর্কতা গ্রহণ করতে হয়েছে!



ছবিটিতে দেখা যায় জুকারবার্গ নিজেও হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচতে অভাবনীয় পূর্ব সতর্কতা নিয়েছেন। তিনি তার ল্যাপটপের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন জ্যাক দুটোই টেপ দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছেন! অনলাইন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির প্রতিষ্ঠাতা তানজিম আল ফাহিম জানান,  জুকারবার্গের এই পূর্ব সতর্কতা স্বাভাবিক একটি বিষয়। গোয়েন্দা সংস্থা , সাইবার অপরাধী সহ অসংখ্য চোখ তার উপরেই রেখেছে। এমনকি  এফবিআই পরিচালক জেমস কমিও জানিয়েছেন, তিনিও তার ব্যক্তিগত ল্যাপটপের ক্যামেরা টেপ দিয়ে মুড়িয়ে রাখেন। তিনি জানান, নিজের চেয়ে স্মার্ট কাউকে একই কাজ করতে দেখে তিনিও একই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

বিস্তারিত - দ্যা গার্ডিয়ান

বাংলাদেশ নিয়ে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছে রোবট সোফিয়া। এই ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে সোফিয়া।


বাংলাদেশে আসার আগ্রহের কথাও জানিয়েছে সে। বাংলা ভাষায় ধন্যবাদ জানিয়েছে।
রোবট সোফিয়া

ভিডিও বার্তায় সোফিয়া বলেছে, ‘হ্যালো বাংলাদেশ, আমি সোফিয়া- হেন্সন রোবটিক্স এর তৈরি পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট। আমি অনেক আনন্দের সাথে তোমাদের জানাচ্ছি যে, আমি এবং ড. ডেভিড হেন্সন এই বছর ঢাকায় আয়োজিত ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’ তে অংশগ্রহণ করছি। এতো বড় একটা ইভেন্টের অংশীদার হবার জন্য আমি উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছি। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ডিভিশন এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশকে-- আমাদেরকে এই সুযোগটি করে দেয়ার জন্য। আশা করছি, সবার সাথে দেখা হবে। ধন্যবাদ।’




ভিডিওঃ রোবট সোফিয়া
অনলাইনে আয় / ফ্রিল্যান্সিং এখন  তরুণ সমাজের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশুনার পাশাপাশি নিজ কর্ম দক্ষতায় স্বাবলম্বী হচ্ছে এই অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে।
 যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।

আসুন, জেনে নেই ফ্রিল্যান্সিং এর বিষয়ে বিস্তারিত।



ফ্রিল্যান্সিং কি ?

এককথায় বলতে গেলে, গতানুগতিক চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যেমনঃ কেউ ব্যবসা কে পেশা হিসেবে নেন তাঁরা হলেন ব্যবসায়ী, যারা চাকুরী করেন তাঁরা হলেন চাকুরীজিবী, আবার যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা হলেন মৎস্যজীবি, ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সিং হল এক ধরনের পেশা। আর যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন তাদের বলা হয় ফ্রিল্যান্সার। যাঁরা নিজের মেধা ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করে আয় করে থাকেন।
freelancing work with freedom

আউটসোর্সিং কি ?

ফ্রিল্যান্সিং-এর সাথে আর একটি শব্দ প্রকাশ্য ভাবে জড়িত, তা হচ্ছে আউটসোর্সিং। ইন্টারনেটের ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয়। এসব কাজ করানোকেই বলে আউটসোর্সিং। আর যারা আউটসোর্সিং করেন তাঁদের বলা হয় আউটসোর্সার বা বায়ার। সাধারণতঃ এরাই ফ্রিল্যান্সার-দের ক্লায়েন্ট হয়ে থাকে।

কেন আপনি ফ্রিল্যান্সিং-কে ক্য়ারিয়ার হিসেবে বেছে নেবেন ?

আগেই বলেছি যে ফ্রিল্যান্সিং হল একটি স্বাধীন পেশা, তাই এটি ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিলে আপনি নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী, যখন ইচ্ছে, যেখান থেকে ইচ্ছে কাজ করতে পারবেন। বাড়িতে বসেই ছোট থেকে বড় কোম্পানির বা কোনও ব্যাক্তির কাজ করতে পারবেন। আর এতে আপনার কোনও ডিগ্রি বা অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট এর ও প্রয়োজন নেই, তবে কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায় এমন কোন কাজে যথাযথ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা থাকতে হবে। আর এই পেশার পারিশ্রমিক গতানুগতিক চাকুরির চেয়ে একটু বেশিই হয়ে থাকে। যদিও এটা আপনার কর্মদক্ষতার উপর নির্ভর করে। এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যাঁরা নিজের উচ্চ বেতনের চাকুরী ছেড়ে এখন ফ্রিল্যান্সিং করছেন এবং তাঁরা মনে করেন ফ্রিল্যান্সিং এই তাঁরা অনেক বেশী আয় করেন এবং সফল। তবে চাকুরী করার পাশাপাশিও ফ্রিল্যান্সিং করা যায়।


কারা কারা এই পেশায় আসতে পারে ?

যেকোনো স্তরের মানুষই ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসতে পারেন। এতে নারী-পুরুষের কোন ভেদাভেদ নেই, কিংবা বয়সেরও কোন সীমাবদ্ধতা নেই। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, গৃহিণী সহ যেকোনো কাজের পাশাপাশি যে কেউ ফ্রিল্যান্সিং পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন। অথবা যারা পড়াশুনা শেষ করে চাকুরির জন্য চেষ্টা করছেন তারাও এই পেশাটাকে বেছে নিতে পারেন। একজন ফ্রিল্যান্সার, হতে পারে সে ৪০ বছরের একজন চাকুরীজীবী অথবা ২৫ বছরের গৃহিণী

বিজ্ঞাপন - এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 
বিজ্ঞাপন - এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 

কাজের ধরণ:

এককথায় কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায় এমন যেকোনো কাজই একজন ফ্রিল্যান্সার পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন। এর মধ্যে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে শীর্ষে থাকা কয়েকটি কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

ওয়েব ডেভলপমেন্ট: ওয়েবসাইট তৈরি, ওয়েবভিত্তিক সফ্‌টওয়্যার তৈরি, ওয়েবসাইট ম্যান্টেনেন্স ইত্যাদি।

সাইবার নিরাপত্তাঃ বর্তমান বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শুধু বাংলাদেশ নয়, সরকারী বেসরকারী ভাবে বাংলাদেশে নিয়োগ চলছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। অনলাইন মার্কেট প্লেসেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। অনেকেই সাইবার নিরাপত্তার উপর ফ্রিল্যান্সিং করে হয়ে উঠছে স্বাবলম্বী।

ইথিক্যাল হ্যাকিংঃ সঠিক পদ্ধতিতে হ্যাকিং এর মাধ্যমেও আপনি উপার্জন করতে পারবেন। গুগল, ফেসবুক, ইয়াহু সহ অসংখ্য দেশী বিদেশী কোম্পানীর ওয়েব সাইট / নেটওয়ার্ক / সিস্টেমের বিভিন্ন দূর্বলতা গুলো প্রকাশ করে আপনি আয় করতে পারবেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন: লোগো, ওয়েবসাইট ব্যানার, ছবি সম্পাদনা, অ্যানিমেশন ইত্যাদি।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং থেকে ওয়েব প্রোগ্রামিং সবই এর আওতায় পড়ে।

ইন্টারনেট বিপণন/ইন্টারনেট মার্কেটিং: ইন্টারনেটভিত্তিক বাজারজাতকরণ কার্যক্রম, যেমন ব্লগ, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে বিপণন।

লেখালেখি ও অনুবাদ: নিবন্ধ, ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ছোট গল্প, প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প এবং এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাষান্তরকরণ উল্লেখযোগ্য।

মাইক্রো জবসঃ ছোট ছোট কাজের মাধ্যমেও আপনি আয় করতে পারবেন। যেমন ফেসবুকে লাইক দেওয়া, ১০ টি জিমেইল / ইয়াহু একাউন্ট খুলে দেওয়া। এ সংক্রান্ত ছোট কাজ গুলোর মাধ্যমেও আয় করা সম্ভব।

সাংবাদিকতা: যারা এবিষয়ে দক্ষ তারা বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পত্রপত্রিকায় লেখালেখির, চিত্রগ্রহণের পাশাপাশি ইন্টারনেটভিত্তিক জনসংযোগ করে থাকেন।

গ্রাহক সেবা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাহককে টেলিফোন, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহাজ্যে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।

ভার্টুয়াল অ্যাশিস্ট্যান্ট/প্রশাসনিক সহায়ক: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা ইত্যাদি।


কোথায় কাজ পাবো ?

অনলাইনে হাজার হাজার ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে এই ধরনের কাজ পাওয়া যায়। এছারা নিজের পোর্টফোলিও বানিয়েও সরাসরি কাজ পাওয়া যেতে পারে। কাজে ভালো অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা থাকলে বিভিন্ন কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদির স্বাধীন চাকুরিও পাওয়া যায়। নিচে আমরা কিছু মার্কেটপ্লেস নিয়ে আলোচনা করবো।

এই পেশার চাহিদা ও ভবিষ্যৎঃ

বর্তমান যুগে এ ফ্রিল্যান্সিং-এ কাজের পরিধি অনেক বেশি। বিশ্বব্যাপী এধরণের কর্মপদ্ধতির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমানে প্রায় ৩০০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। কেবলমাত্র ভারত-বর্ষেই ২৪ কোটির ও বেশী মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর র‍্যাঙ্কে চায়না আছে প্রথম স্থানে ও আমেরিকা দ্বিতীয় স্থানে এবং ভারতের স্থান তৃতীয় তবে অনেকের ধারনা ২০১৫ সালের মধ্যেই ভারতের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আমারিকার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাকে অতিক্রম করে যাবে। তো দেখা যাচ্ছে যে ইন্টারনেট জগতের ব্যপ্তি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাথে সাথে এই বিশালাকার ইন্টারনেট জগতের প্রচুর ব্যবহারির কে নিয়ে নতুন নতুন ব্যবসার উৎপত্তি হচ্ছে। আর এই ব্যবসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলি পরিচালনা করতে প্রচুর দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হবে। আর যেহেতু পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় সেজন্য প্রতিনিয়তই ফ্রিল্যান্স-দের চাহিদা বাড়ছে।

কেনো আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখে রাখবেন?

আমাদের সকলের ই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করে রাখা প্রয়োজন। কারন, যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন তারা পড়াশুনার পাশাপাশি আয় করা ছাড়াও পড়াশুনা শেষ হলে চাকুরীর পিছনে হতাশ হয়ে দৌড়ানোর প্রয়োজন হবে না।
আর যারা চাকুরীজীবী তারা নিজেদের কাজের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন।
চাকুরী স্থায়িত্বকাল কখনো চিরস্থায়ী নয়, কিন্তু আপনি যেই ফ্রিল্যান্সিং এর জ্ঞান অর্জন করবেন সেটা কখনোই হারিয়ে যাবে না।


বিজ্ঞাপন - এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here


ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে যা যা প্রয়োজনঃ

একটি ল্যাপটপ অথবা ডেক্সটপ কম্পিউটার।
ভালো মানের ইন্টারনেট সংযোগ।
কাজ করার ইচ্ছে ও চেষ্টা।
কাজ শেখা ও শেখার পর অনুশীলন করার জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও মানসিকতা।
এছাড়া বিভিন্ন অনলাইন কমিউনিকেশন সিস্টেম যেমন- স্কাইপ, ইমেইল ইত্যাদি সম্পর্কে বেসিক ধারনা থাকতে হবে। কারন, যেহেতু উন্নত দেশগুলিই বেশীরভাগ কাজ আউটসোর্স করে থাকে, তাই আপনি যখন আপনার ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগ করবেন তখন এ মাধ্যম গুলো কাজে লাগবে।

নতুনদের জন্য অনলাইনে আয়ের কিছু উৎস ঃ

মূলত অনলাইনে যারা ক্যারিয়ার গড়তে চান তাদের আগে দক্ষতা অর্জন করা উচিৎ। তবুও নতুন অবস্থায় ও আপনি কিছু কিছু পদ্ধতিতে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।
এবারের আলোচনা সেই সম্পর্কে।

ইউটিউবের মাধ্যমে আয়- অনলাইনের এই যুগে ইউটিউবের কথা কে না জানি। কিন্তু আপনি জানেন কি, যে ইউটিউবের মাধ্যমেও আপনি আয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনার ভালো মানের একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। বিভিন্ন গেমের রিভিউ , রান্নার ভিডিও, বিভিন্ন টিউটোরিয়াল, মজার ভিডিও সহ বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করে আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

মাইক্রোওয়ার্কার্স এর মাধ্যমে আয় - 
ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে আয়ের সব চাইতে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে মাইক্রোওয়ার্কার্স। আপনি যদি নিজেকে কিছুটা ঝালিযে নিতে চাচ্ছেন অথবা পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের এবং ইন্টারনেটের বিল উসুল করার কথা চিন্তা করে থাকেন তবে এই ফ্রিন্যান্সিং সাইট টা আপনার জন্য । আর বর্তমান মাইক্রো-ফ্রীলান্সিং বিশ্বে অনেক সাইট রয়েছে যেখানে আপনি সামান্য কিছু কাজের ধারনা নিয়ে অনায়াসে মাসে ৩০০-৬০০০ টাকা উপার্জন করতে পারবেন। সবচেয়ে ভাল এবং বেশি কাজ পাওয়া যায় এমন একটি সাইট হল “মাইক্রোওয়ার্কার্স.কম”।

মাইক্রোওয়ার্কার্স এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে—
• এখানে কাজ করার জন্য কোনো বিড করতে হয় না।
• কাজগুলো খুবই ছোট হয়ে থাকে। প্রতিটি কাজ সম্পন্ন করতে সাধারণত ২ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সময় লাগবে।
• কাজটি আপনি সত্যি সম্পন্ন করেছেন কিনা তার একটি প্রমাণ দিতে হয়।কীভাবে প্রমাণ দেবেন তার বর্ণনা কাজের বর্ণনার সঙ্গেই পাবেন।
• কাজগুলো যেহেতু ছোট, তাই অর্থের পরিমাণও সামান্য। প্রতিটি কাজ ০.১০ ডলার থেকে শুরু করে ৮ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
• একটি কাজ একবারই করতে পারবেন।
• মোট আয় ১০ ডলার হলে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
• চারটি পদ্ধতিতে অর্থ উত্তোলন করা যায়—চেক, মানিবুকারস, পেপাল এবং অল্টারপে।
• প্রথম বার অর্থ উত্তোলন করতে গেলে আপনার ঠিকানায় একটি চিঠি পাঠানো হবে, যাতে একটি পিন নম্বর দেয়া থাকবে। এই পদ্ধতিতে আপনার ঠিকানা যাচাই এবং একজন ব্যবহারকারী যাতে দুটি অ্যাকাউন্ট করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হয়।

কাজের ধরণঃ
এখানের কাজ গুলো খুবই ছোট এবং সাধারন। যেমন, দুইটি ফেসবুক পেজে লাইক দিলেন, একটা ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করলেন, অথবা ছোট একটা আর্টিকেল লিখে দিলেন। এর জন্য আপনি অর্থ পেয়ে যাবেন। তবে মাইক্রোওয়ার্কার্স দিয়ে আপনি কখনোই ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন না। একেবারে বেসিক অবস্থার জন্যই এই সাইটটির মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।
পরবর্তীতে কাজ শিখে আপনি ফাইবার অথবা মার্কেটপ্লেসের সাইট গুলোতে কাজ করতে পারলে তবেই আপনার দ্বারা ভালো পরিমান  অর্থ আয় করা সম্ভব।
আজই আয় শুরু হয়ে যাক মাইক্রোওয়ার্কার্স থেকে। ওয়েবসাইট লিংক - microworkers.com
মাইক্রোওয়ার্কার্স সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য - Click Here

বিজ্ঞাপন এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 
বিজ্ঞাপন এরিনা ওয়েব সিকিউরিটির ইথিক্যাল হ্যাকিং এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক অনলাইনে আয় শীর্ষক কোর্সটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন - Click Here 

অনলাইনে আয় করুন ওয়েবসাইট / ব্লগ থেকে - অনলাইনে আয়ের একটি জনপ্রিয় পন্থা হচ্ছে ওয়েবসাইট / ব্লগ। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং নির্দিষ্ট পরিমান ভিজিটর থাকে তবে বিভিন্ন এড এজেন্সীর মাধ্যমে আপনিও আয় করতে পারবেন।
গুগল এডসেন্স ছাড়াও অনেক এড এজেন্সী রয়েছে যারা বিজ্ঞাপন দাতা হিসেবে আপনাকে অর্থ প্রদান করবে।

অনলাইনে আয় হোক ফাইবারের মাধ্যমে- ফাইবার হচ্ছে একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখান থেকে আপনি দক্ষতা অর্জন করলে নিয়মিত ভাবে আয় করতে পারবেন।
ফাইবার সম্পর্কে বিস্তারিত - Click Here

অনলাইনে আয় করুন বিভিন্ন কোম্পানির সাইবার নিরাপত্তা প্রদান করে -
বর্তমান এই প্রযুক্তির বিশ্বে সাইবার নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আপনিও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ নিয়ে আয় করতে পারবেন। শুধু অনলাইন নয়, বাংলাদেশের অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুলোতেও আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ চলছে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের।
আপনিও জ্ঞান অর্জন করে নিজের ক্যারিয়ারকে গড়ে তুলতে পারেন আইটি খাতে।

আশা করি উপরের তথ্য গুলো কাজে লাগিয়ে আপনিও অবসর সময় গুলোতে ফ্রিল্যান্সিং এ মনোযোগী হবেন। \